Sunday, 13 September, 2026

অনলাইন ডেস্ক::

মহেশখালী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন এবার বিএনপিতে যোগ দিলেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে কক্সবাজার-২ আসনের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।

এর আগে, গত ৪ জানুয়ারি তিনি বিএনপিতে যোগ দেয়ার কথা জানান একটি অনুষ্ঠানে।

তখন জহির উদ্দিন বলেছিলেন, বিরোধী দলের একটি এমপি পৌরসভার সভাপতির (ক্ষমতায় থাকা দলের) সমান। তা চিন্তা করে… বিএনপি তো ক্ষমতায় যাচ্ছে; এখন হামিদুর রহমান আজাদকে (দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী) আবার এমপি বানিয়ে পিঠে আবার মাইর নিবো? গত ৪০ বছরে মাইর খেতে খেতে হাড্ডি-মাংস সোজা হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত জুলুম-জুলুম হতে মাথার ওপর সাজা (হত্যা মামলায় সাজা) নিয়েছি। তারপরও আমরা বাঁচতে পারছি না। তো এখন চিন্তা করলাম যে, আমি ওদের বেহেশত এটা নিবো না। আমি আল্লাহর থেকে নিবো বেহেশত। মাইর থেকে রক্ষা পেতে হবে, সারাজীবন মাইর খেয়ে খেয়ে থাকবো? বিরোধী দল হয়ে থাকবো? আমাদের থেকে এবার সরকারি দল হতে হবে, আমাদের নিজেদের রক্ষা পেতে।

জহির উদ্দিন ছাত্র জীবনে শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরে জামায়াতের নেতা হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে ২০১৪ সালে ও ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

চব্বিশের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে ‘কিংস পার্টি’ হিসেবে পরিচিত বিএনএফের নোঙ্গর মার্কার প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় তাকে নিয়মিত দেখা যায়।

৫ আগস্টের আন্দোলনের পর শুরুতে জাতীয় নাগরিক কমিটির অনুষ্ঠানে তাকে দেখা যায়। পরে মহেশখালী উপজেলার এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী হন। এবার জহির উদ্দিন এলেন বিএনপিতে।

মহেশখালী পৌরসভায় জহির উদ্দিনের পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির জন্য বেশ পরিচিত। তার ভাই সরওয়ার আজম স্থানীয় আওয়ামী লীগের আলোচিত নেতা ছিলেন, যিনি সাবেক পৌর মেয়র; আরেক ভাই মোহাম্মদ শাহাজাহান যুবলীগের বর্তমান সভাপতি। এছাড়া, জহির উদ্দিনের আরেক ভাই জাতীয় পার্টি ও বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত। 

জহির উদ্দির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। যার মধ্যে একটি হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতে তার সাজা হয়।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version