Wednesday, 29 July, 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক:
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছেন তরুণ সমাজসেবক ও সাংবাদিক হোবাইব সজীব।

“গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান”—এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেল ৫টায় কালারমারছড়া ইউনিয়নের মোহাম্মদ শাহ ঘোনা কাদেরিয়া হাফেজিয়া মজিদিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা এবং মনগাজী জামে মসজিদ ও সংলগ্ন কবরস্থান প্রাঙ্গণে নারিকেল গাছের চারা রোপণ করা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশকে আরও সবুজ ও মনোরম করে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কর্মসূচির উদ্যোক্তা, তরুণ সমাজসেবক ও সাংবাদিক এবং অত্র মাদ্রাসার সভাপতি হোবাইব সজীব।

উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, “একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, এটি আমাদের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে প্রত্যেক মানুষ যদি অন্তত একটি করে গাছ লাগিয়ে তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেয়, তাহলে একটি সবুজ, সুন্দর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শুধু জ্ঞান ও নৈতিক শিক্ষা প্রদানের কেন্দ্র নয়, এগুলোকে পরিবেশবান্ধব করাও আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালারমারছড়া কাদেরিয়া হাফেজিয়া মজিদিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার কামাল, মনগাজী জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক শফি আলম, মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মাহফুজুল হক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকার অসংখ্য সচেতন নাগরিক।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যক্তি উদ্যোগে এমন সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি সমাজের অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে। তারা হোবাইব সজীবের এই প্রশংসনীয় উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

কর্মসূচির শেষে রোপণ করা চারাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। আয়োজকরা জানান, পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা ও জনসাধারণের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আরও ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version