Thursday, 16 April, 2026

তরুণ সমাজ সেবক ও সাংবাদিক হোবাইব জনগণের কাতারে, পলাতক আ’লীগের তারেক চেয়ারম্যানের ঘাঁটিতে জনপ্রিয়তার ‘শক্তি প্রদর্শন’! তাকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই স্থানীয় বাসিন্দারা

দীর্ঘ ১৭ বছর পর মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে স্মরণকালের কালারমারছড়ার খেলোয়াড় সমিতির ব্যবস্থাপনায় ফুটবল টুনামেন্টের বড় উম্মাদনা বসে শেষ হয়েছে পবিত্র রমজানের আগ মুর্হুতে। ‘জুলাই গণ-আন্দোলনের’ এক বছর পূর্তির পর আয়োজিত ফুটবলকে ঘিরে পলাতক উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তারেক চেয়ারম্যানের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের সবচেয়ে জনসংখ্যা অধ্যুষিত এলাকা ৭ নং ওয়ার্ডে এ টুনামেন্টকে ঘিরে নিজের বুদ্ধিতে বলিয়ান কৌশলী ও তেজি তরুণ সমাজ সেবক সাংবাদিক হোবাইব সজীবের জনপ্রিয়তার ‘শক্তি প্রদর্শন’ হিসেবে দেখে ছিলেন ক্রীড়াপ্রেমিও স্থানীয় বাসিন্দারা।

তিনি এখানে থেমে থাকেনি দীর্ঘ ১৭ বছর পর জুলাই অভ্যুথানের পর স্বদল বলে আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে ফিরে আসে নীজ নীড়ে। উক্ত এলাকায় টুকটাক ঘটনা ঘটলেও বাজার কেন্দ্রীক বড় কোন ঘটনা জন্মদিতে দেয়নি তিনি ও তার বৃহত্তর ঘোষ্টির প্রচেষ্টায় জনশ্রুতি রয়েছে। তিনি রমজানে এলাকাবাসীর সম্মানে গণ ইফতার মাহফিল ও প্রতি বছরের ন্যায এবারও কুরআনে হাফেজসহ প্রায় ২ হাজার মানুষকে ঈদ বস্ত ও নগদ অর্থ বিতরণ করে বিভিন্ন সামাজিক কাজ করায় জনগণের কাতারে চলে গেছেন এটি একটি জ্বলন্ত উদাহরণ।

এছাড়াও কালারমারছড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বড় প্যান্ডেলে স্মরনীয় বড় ঈদ জামাতে নামাজ আদায় করতে অভিবাবকের ভূমিকা পালন করেছেন বলে এলাকায় প্রতিশ্রতি রয়েছে। বলতে গেলে দ্যুতি ছড়াচ্ছেন সাংবাদিক তরুণ সমাজ সেবক হোবাইব সজীব।

হোবাইব এত জনপ্রিয় কেনঃ

অপরদিকে যাপিত সময়ে শুনে এসেছি, সাংবাদিক হোবাইব অনেক জনপ্রিয় একজন ঠগবগে তরুণ সমাজ সেবক ও একাধারে মহেশখালী অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি, কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও মহেশখালী লবণ চাষী ও ব্যবসায়ী সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি, কালারমারছড়া কাদেরিয়া হাফেজিয়া মজিদিয়া মাদ্রাসার সভাপতি।


গেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে খুব ক্লান্তিকালে তিনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করায় কক্সবাজারের দেখা হলে কালারমারছড়ার মানুষেরা তার জনপ্রিয়তার কথা জানাতেন। শুধু কালারমারছড়ার মানুষ নয়; মহেশখালীর উপজেলা; বিশেষ করে উত্তর মহেশখালীর মানুষগুলো হোবাইবকে অনেক জনপ্রিয়তার বয়ান করতেন। আমি জনগণের মুখে শুনে টগবগে যুবক হোবাইকে জনপ্রিয় বলে বিশ্বাস করতাম।


কালারমারছড়া যা দেখেছি তা অবিশ্বাস্য! এটা মানুষে মুখে শোনা জনপ্রিয়তার চেয়ে অনেক অনেক উপরে। শুনেছি কালারমারছড়া এত আতঙ্ক সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যের মাঝে জনপ্রিয়তা ধরে রেখে বুকে সাহস করে ফুটবল আয়োজন করার মত কাজ করে মুলত তাক লাগিয়ে দিয়েছেন জনমনে।
ক্রীড়াপ্রেমিদের মুখে শুধু হোবাইবের নাম। তিনি একজন পরিচ্ছন্ন অনুসন্ধানী সাংবাদিক বটে দ্বীপাঞ্চলের বুকে, তার প্রতিবেদনে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাস ও সরকারের দুর্নীতিগ্রস্ত আমলাদের ভীত কাপিয়ে দিয়েছেন তিনি। কথা বলেছেন জনগণের। এ এক অবিশ্বাস্য ব্যাপার বটে!

এ গেলো শুধু কালারমারছড়ার কথা। কিন্তু আশ্চর্য্য হওয়ার বিষয়টি অন্য জায়গায়। সেই সময় কালারমারছড়া ফুটবল নিয়ে মাতামাতি শুধু সেখানে সীমাবদ্ধ থাকেনি। পুরো মহেশখালীর মানুষ এই ফুটবল নিয়ে শুরু থেকেই সরব ছিলেন। কিন্তু ভিন্নতা অন্য জায়গায়। কালারমারছড়া ফুটবল টুনামেন্ট দেখা শেষ করে নিজ এলাকায় ফিরেছি পরের দিন। দেখি রাস্তার মোড়ে মোড়ে মানুষের জটলা। কারণ কালারমারছড়ার বুকে গুপ্ত হত্যার মত ঘটনা জন্ম দিয়েছে। আমাকে পেয়ে সবাই যেন অস্থির! কি হবে, কালারমারছড়া ফুটবল টুনামেন্ট কি চলবে নাকি বন্ধ হবে অনেকে যেন টেনশনে চুল ছিড়ে খাবে! এই এক আশ্চর্য্য ব্যাপার। তবে আমি সবাইকে আশ্বস্ত করতে পেরেছিলাম তাদের খউস্বর পরিবারের পুরো ঘোষ্টির লোকজন ও এলাকাবাসী বৃহত্তর স্বার্থে শান্তির লক্ষে ফুটবল টুনামেন্ট শেষ করবে। যত জলাঞ্জলি ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি হোক না কেন। খেলার ওপর প্রভাব যেন না পড়ে। কেননা মাঠে জনগণের ভালবাসার চিত্রটা আমি সেভাবে দেখেছি। কি আশ্চর্য্য এত মাতামাতি আমি কখনো কোন ফুটবল আসরকে ঘিরে দেখিনি।

খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি মহেশখালীর অন্যান্য পৌরসভা,ইউনিয়ন মাতারবাড়ি, ধলঘাটা শাপলাপুরের মানুষও হোবাইবকে নিয়ে এমন মশগুল। পলাতক আওয়ামী লীগের শাসন আমল থেকে এ পর্যন্ত দেখে আসছি বিচক্ষণ নিজের বুদ্ধিতে বলিয়ান হোবাইব সজীবের জনপ্রিয়তা সচক্ষে আমি দেখিছি তার সাথে মানুষের মুখে শোনা জনপ্রিয়তার ব্যবধান আকাশ-পাতাল। তিনি তার সততা থেকে চুল পরিমাণ বিচ্যুতি হয়নি। সে একাধারে সমাজ সেবক, সাংবাদিক ও সাবেক ছাত্রনেতা এক তরুণ কিভাবে অর্জন করলো এত মানুষের ভালোবাসা? আমি অনেককে জিজ্ঞেস করেছি কেন তারা হোবাইকে এত ভালোবাসে। অধিকাংশই ভালোবাসার কারণটা স্পষ্ট করে বলতে পারেনি। তাদের মতো আমিও বোঝে উঠতে পারিনি, একটি তরুণ কিভাবে হঠাৎ এতো জনপ্রিয় হয়ে উঠলো?


হোবাইবের জনপ্রিয়তার পিছনের কথা তালাশ করতে গিয়ে জানতে পারি, মাঠ পর্যায়ে জেল-,জুলুম হুলিয়া তোয়াক্কা না করে কাজ করেছে গভীরভাবে জেনে শুনে। তিনি একটু বদ মেজাজী স্বভাবের হলেও সহজে সবাইকে আপন করে নিতে পারেন। গরীব-দুঃখী ও অসহায় মানুষের জন্য অতন্দ্র থাকতেন। কুরআনের পাখিদের খোঁজ খবর নিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। যেকোনো বিপদে নিজ পেশার সংবাদকর্মী থেকে শুরু করে কেউ তাঁর কাছে গেলে কখনো খালি হাতে বা হতাশ হয়ে ফিরেনি।


অপরদিকে সাহসী, স্মাট ও সৎ যোগ্য, মেধাবী হোবাইবকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই স্থানীয় বাসিন্দারা। ভোট দেরিতে হলেও ভোটার মাঠে নিরবে তার নাম উঠে এসেছে। পুরুষের পাশাপাশি বিশেষ করে মহিলা ভোটার তার পক্ষে সাফাই গাচ্ছে।


অনেকে মনে করেন সামাজিক আর রাজনৈতিক প্রতিহিংসা আর প্রতিকুলতা যেন কোন হোবাইব তলিয়ে না যায় সে প্রত্যাশা ন্যায় নিষ্টাবান বিবেকের সাথে আমারও! পথ অনেক পিচ্ছিল কন্টকাকীর্ণ যাত্রা তোমাকে যেন কোন অপশক্তি গ্রাস করতে না পারে প্রিয়জন।

সাংবাদিক হোবাইব সজীব এক প্রতিক্রিয়ায় জানান,জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে চলার পথ যতই অন্ধকারাচ্ছন্ন, বন্ধুর কিংবা কণ্টকাকীর্ণ হোক, তাতে না থেমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।


তিনি বলেছেন, ‘আমি জানি, স্বাধীনচেতা হলে অনেক বাধা আসে। আর এলাকাকে ভালোবেসে শুধু এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে যারা পথ চলে, তাদের পথ চলা কখনো সহজ হয় না। অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়। চলার পথ যতই অন্ধকারাচ্ছন্নই হোক না কেন, যত বন্ধুর হোক না কেন, যত কণ্টকাকীর্ণ হোক, সেখানে আমি থেমে থাকব না। অন্তত আমি এই প্রতিজ্ঞা করছি থেমে থাকব না। তবে আত্মীয়স্বজন-পাড়া প্রতিবেশি যাকে ঐক্যেবদ্ধ হয়ে একক প্রার্থী ঘোষনা করবে তিনি প্রার্থী। আমি হলে আমি অন্য কাউকে ঘোষণা দিলে তার জন্য কাজ করবো।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version