মহেশখালী প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ও শাপলাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস প্রাঙ্গণ থেকে নিলাম ছাড়াই তিনটি পুরোনো সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট দুই ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মোহাম্মদ ফিরোজের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গাছ কাটার অনুমতি ও বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাতারবাড়ী ভূমি অফিস থেকে দুটি শিশু গাছ এবং শাপলাপুর ভূমি অফিস থেকে একটি একাশি গাছ ডালপালাসহ পিচ পিচ কেটে পাচার করা হয়েছে। গাছগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা বলে দাবি তাঁদের।
এ বিষয়ে তহশিলদার মোহাম্মদ ফিরোজ বলেন, গাছগুলো অনেক পুরোনো হওয়ায় কেটে নেওয়া হয়েছে। তবে গাছ কাটার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, জানতে চাইলে তিনি অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে জানান।
মহেশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবায়েত আহমেদ বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। তিনি বলেন, “সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে নিয়মবহির্ভূতভাবে নিলাম ছাড়াই সরকারি গাছ কাটা যায় না। অভিযোগটি সত্য হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
গাছ কাটার প্রক্রিয়া, গাছগুলোর বিক্রয়মূল্য এবং অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এদিকে, তহশিলদার মোহাম্মদ ফিরোজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির আরও অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে ধারাবাহিকভাবে পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

