নিজস্ব প্রতিবেদক ::
আজ ২৪ জানুয়ারি দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রখ্যাত আলেমে দীন, পীরে কামেল, গারাংগীয়া দরবার শরীফের অন্যতম খলিফা, রাহনুমায়ে শরীয়ত ও পীরে তরীকত, ওসতাজুল ওলামা, মমতাজুল ওয়ায়েজিন—মাতারবাড়ীর পীর সাহেব কেবলা হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব শাহ ছুফি মাওলানা উকিল আহমদ মজিদী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর ২২তম ওয়াফাত দিবস।
তিনি দক্ষিণ চট্টগ্রামে দ্বীনের খেদমতে আজীবন নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদানে প্রতিষ্ঠিত হয় অসংখ্য মসজিদ, খানাকা ও মাদ্রাসা। ইবাদত ও তরীকতের পাশাপাশি দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে তার ভূমিকা ছিল অনন্য। তার প্রতিষ্ঠিত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে মাতারবাড়ী মজিদিয়া আলিম মাদ্রাসা এবং মাতারবাড়ী রশিদিয়া হাসমতিয়া দাখিল মাদ্রাসা উল্লেখযোগ্য।
এইসব প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা নিয়ে আজ হাজার হাজার শিক্ষার্থী দ্বীনের খেদমতের পাশাপাশি দেশ ও জাতির সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
২৪ জানুয়ারি ২০০৪ সালে এই মহান মনিষী ইন্তেকাল করেন। তার ইন্তেকালে দক্ষিণ চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপী শোকের ছায়া নেমে আসে। তৎকালীন অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও তার জানাযায় দেশবরেণ্য আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, ছাত্রসমাজ, রাজনীতিবিদসহ হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। কক্সবাজার জেলার বৃহত্তম জানাযাগুলোর মধ্যে এটি ছিল অন্যতম, যা তার দ্বীনি অবদান ও গ্রহণযোগ্যতার স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে।
ওয়াফাত দিবস উপলক্ষে তার অনুসারী ও ভক্তরা দোয়া মাহফিল ও স্মরণ সভার আয়োজন করেন। সকলে মহান আল্লাহর দরবারে এই মহান ওলীর ফয়েজাত নসিব হওয়ার এবং তার অনুসৃত পথ অনুসরণ করার তৌফিক কামনা করেন।
মহান আল্লাহ হযরতুল আল্লামা শাহ ছুফি মাওলানা উকিল আহমদ মজিদী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-কে তার হাবীব হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সদকায় জান্নাতের আলা মকাম দান করুন—এই দোয়াই আজ সকলের।

