নিজস্ব প্রতিবেদক ::
আসন্ন মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পুনরায় নির্বাচন করার সম্ভাবনা নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনায় উঠে এসেছেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য নাসির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর চৌধুরী। ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়া নিয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
নাসির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর চৌধুরী মাতারবাড়ী ইউনিয়নের সিকদার পাড়া এলাকার পরিচিত চৌধুরী পরিবারের সন্তান। তিনি মরহুম ছিদ্দিক আহমদ চৌধুরীর নাতি। মরহুম ছিদ্দিক আহমদ চৌধুরী ছিলেন মাতারবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির অন্যতম রূপকার ও সংগঠক। দল গঠনে তাঁর ত্যাগ ও ভূমিকা এখনো স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়।
বাবর চৌধুরী এর আগে ২০১৬ সালের ২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে তিনি প্রায় ৬ হাজার ৪০০ ভোট অর্জন করেন এবং অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। সে সময় তাঁর প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ইউনিয়নজুড়ে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
দীর্ঘদিন ধরে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা বাবর চৌধুরী স্থানীয়ভাবে একজন পরিচিত মুখ। দলীয় কর্মসূচি, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং সংকটকালে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার কারণে তাঁর একটি নিজস্ব সমর্থকগোষ্ঠী গড়ে উঠেছে বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দাবি করছেন।
আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তাঁর নাম বারবার আলোচনায় আসায় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, দলীয় সিদ্ধান্ত ও নির্বাচনী পরিবেশ অনুকূলে থাকলে তিনি আবারও মাঠে নামতে পারেন। অনেক নেতাকর্মীর মতে, আগের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা ও পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য এবার তাঁর জন্য বাড়তি শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বাবর চৌধুরী বলেন—“আমি দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতি ও মানুষের সেবার সঙ্গে যুক্ত। অতীতের নির্বাচনে জনগণ আমাকে যে ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়েছে, তা আমি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি। যদি দল আমাকে আবারও যোগ্য মনে করে এবং জনগণের প্রত্যাশা থাকে, তাহলে ইনশাআল্লাহ আসন্ন মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য আমি প্রস্তুত থাকব।”
তিনি আরো বলেন—“মাতারবাড়ী ইউনিয়নের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক জনপ্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য। সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় নীতিনির্ধারক ও নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করেই জানানো হবে।”

