Browsing: মসজিদ

এম.এ.কে.রানা,মহেশখালীকক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ এমপি মাতারবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদে অনুদান প্রদান করেছেন। মসজিদভিত্তিক এই…

অনলাইন ডেস্ক:: দেশের মসজিদগুলোকে নিবন্ধনের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার, যেখানে যার খুশি মসজিদ স্থাপনেও আসতে পারে বিধিনিষেধ। আর ইমাম নিয়োগের ক্ষমতা ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। নিয়োগকৃত এই ইমামদের সরকারি বেতন কাঠামোর অনুসরণে বেতন দেওয়ার সুপারিশও করা হচ্ছে, যাতে ইমামের মূল বেতন সরকারের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার সমান প্রস্তাব করা হয়েছে। ইমামের সর্বোচ্চ যে বেতন প্রস্তাব করা হয়েছে, সেই বেতন পান উপসচিবরা। তবে এই বেতন সরকার বহন করবে না, মসজিদ স্থাপনকারী বা পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষই এই ব্যয় বহন করবে, যাদেরকে আবার ইমাম ছাড়াও মসজিদের অন্য কর্মীদের আবাসন এবং খাবারের ব্যবস্থাও করতে হবে। এসব বিধান রেখে মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা (সংশোধন)-২০২৫ এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। নীতিমালাটি যে কোনো সময় প্রজ্ঞাপন আকারে অনুমোদন পেতে পারে, যাতে মসজিদের উন্নয়নের জন্য যানবাহন বা রাস্তাঘাটেও চাঁদা আদায় করা যাবে না বলে উল্লেখ আছে। এই খসড়ায় বিদ্যমান মসজিদ পরিচালনা কমিটিকেও সরকারি দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলা আছে। নিজ ব্যবস্থাপনায় সংরক্ষণ করতে হবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। মসজিদ এলাকার জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, প্রতিবন্ধী বা বিকলাঙ্গ পরিসংখ্যান, বেকার যুবক, বিধবাসহ অসহায় এতিমদের পরিসংখ্যান রাখতে হবে। কমিটির করা এই তালিকার আলোকে সরকার যাকাতসহ নানা ভাতা দেবে—এমন কথাও লেখা আছে এতে। খসড়ায় বলা আছে, মসজিদ কমিটি ইচ্ছে করলেই ইমামকে চাকরিচ্যুত করতে পারবে না। আকস্মিকভাবে চাকরি থেকে বাদ দিতে চাইলে দুই মাসের অগ্রিম বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. সালাম খান দেশকাল নিউজ ডটকমকে বলেন, “দেশের সকল মসজিদকে একটি কাঠামোতে নিয়ে আসাই সরকারের উদ্দেশ্য। সকল মসজিদের হালনাগাদ তথ্য জরিপের মাধ্যমে সরকার সংরক্ষণ করতে চায়। এ জন্য একটি ডেটাবেজ করা হবে। “আলেম-ইমামরা যেন ন্যূনতম সম্মান এবং কুরআন-হাদিসের আলোকে মসজিদে সঠিক বয়ান রাখতে পারেন, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।” ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, “খসড়া করা নীতিমালাটি ২০০৬ সালের মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালার হালনাগাদ রূপ। আগের নীতিমালায় অনেক কিছুই ছিল না। সংশোধনীতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সন্নিবেশ করা হচ্ছে।” বাংলাদেশ ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক পঞ্চগড় জেলার সিঅ্যান্ডবি মোড় বড় মসজিদের খতিব আহমদুল্লাহ মাসরুর দেশকাল নিউজ ডটকমকে বলেন, “সরকারের এই উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিন এবং মসজিদের সঙ্গে যারা খেদমতে জড়িত, তাদের জন্য নিশ্চয়ই কল্যাণকর হবে। এর দ্বারা স্বীকৃত আইনি কাঠামোর ভিতর যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে দেশের মসজিদগুলো।” বিপুল পরিমাণ বেতনের প্রস্তাব নীতিমালায় ইমাম থেকে শুরু করে মসজিদের নৈশ প্রহরীদের বেতনের একটি কাঠামোর কথা বলা আছে। ইমামদের বেতন সরকারি বেতন কাঠামোর নবম থেকে চতুর্থ গ্রেডে হবে বলে এতে উল্লেখ আছে। নবম গ্রেডে মূল বেতন আসে ২২ হাজার টাকা আর চতুর্থ গ্রেডে ৫০ হাজার টাকা। খতিবের বেতন-ভাতার বিষয়টি আলোচনার ভিত্তিতে চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে খসড়ায়।…