স্টাফ রিপোর্টার:
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এ প্রেক্ষাপটে উপজেলা ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন দীর্ঘদিনের ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতা গাজী সালাহউদ্দিন মানিক।

দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন গাজী সালাহউদ্দিন মানিক। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি মাঠভিত্তিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করে আসছেন।

২০১২ সালে মরহুম ছাত্রনেতা রিয়াদ মোহাম্মদ আরফাতের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মাতারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রদলের কাউন্সিলে সভাপতি পদে প্রার্থী হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন তিনি। এরপর মাতারবাড়ী ইউনিয়ন, কলেজ এবং উপজেলা পর্যায়ে ছাত্রদলের বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিয়মিত সম্পৃক্ত থেকে নিজস্ব সাংগঠনিক অবস্থান তৈরি করেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, দলের কঠিন সময়েও গাজী সালাহউদ্দিন মানিক সংগঠন ছেড়ে যাননি। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ডাকা হরতাল, অবরোধ, বিক্ষোভ, প্রতিবাদ সমাবেশ এবং আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। একাধিক কর্মসূচিতে তিনি সহকর্মীদের সংগঠিত করে মাঠে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা।

তাদের মতে, সময়ের পরিবর্তনে অনেক নেতাকর্মী বিভিন্ন কারণে রাজনীতি থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লেও গাজী সালাহউদ্দিন মানিক নিয়মিত দলীয় কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকেছেন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন। দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার প্রতি তাঁর অবিচল অবস্থান নেতাকর্মীদের কাছে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে বলে তারা মনে করেন।

রাজনৈতিক জীবনে সর্বশেষ ২০১৬ সালে মরহুম রিয়াদ মোহাম্মদ আরফাতের নেতৃত্বে গঠিত মাতারবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন গাজী সালাহউদ্দিন মানিক। দায়িত্ব পালনকালে ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনকে গতিশীল করতে বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন তিনি।

বর্তমানে মহেশখালী উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে দায়িত্ব পালনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন গাজী সালাহউদ্দিন মানিক। তাঁর সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘ প্রায় দেড় দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা বিবেচনায় নতুন কমিটিতে তাঁকে মূল্যায়ন করা উচিত।

তবে আসন্ন উপজেলা ছাত্রদলের কমিটিতে কারা স্থান পাচ্ছেন, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় বা জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে নতুন কমিটি নিয়ে নেতাকর্মীদের আগ্রহ ও প্রত্যাশা অব্যাহত রয়েছে।

