এম.এ.কে. রানা, মহেশখালী।
কনকনে শীত, ঠান্ডা বাতাস আর ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত উপকূলীয় জনপদ। প্রতিবছরের তুলনায় চলতি শীতে কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকা, বিশেষ করে মহেশখালীতে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ ও সমুদ্রপাড়ের বাসিন্দারা।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান মাহমুদ ডালিম মাতারবাড়ী ইউনিয়নের সাইরার ডেইল জালিয়াপাড়া ও বাহিরপাড়ায় সরাসরি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে প্রায় ১০০ জন হতদরিদ্র ও অসহায় নারী-পুরুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

কম্বল পেয়ে জালিয়াপাড়ার বাসিন্দা রহিম বলেন, আমাদের এলাকার বেশিরভাগ মানুষই আর্থিকভাবে অসচ্ছল। এই তীব্র শীতে অনেকেই খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছিল। রাতে হঠাৎ করে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা কম্বল নিয়ে আমাদের বাড়ির সামনে হাজির হয়েছেন। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় স্বস্তি। আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ।
এ বিষয়ে ইউএনও ইমরান মাহমুদ ডালিম বলেন, শীত মৌসুমে প্রান্তিক মানুষের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি বাড়ে। উপকূলীয় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের মানবিক দায়িত্ব। কেউ যেন শীতের কারণে কষ্ট না পায়, সে লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তিনি আরও জানান, শীতকালজুড়ে এই কম্বল বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কম্বল পেয়ে মাতারবাড়ী ইউনিয়নের সাইরার ডেইল এলাকার বাসিন্দারাও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দুর্যোগপূর্ণ এই সময়ে প্রশাসনের এমন উদ্যোগ তাদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি ও সাহসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

